মানসিক চাপ কমাতে মনের যত্ন নিবেন কিভাবে?
কথা বলছি মানসিক রোগ নিয়ে মানুষিক রোগটা আসলে কি জিনিস শরীর এবং মন এই দুই নিয়েই হচ্ছে মানুষ শরীর ছাড়া যেমন মানুষ হয় না কিন্তু মন ছাড়াও মানুষ হয় না। শরীরের যেমন নানারকম অসুখ হয় মনেরও তেমনি নানা রকম অসুখ হয়। শরীরের রোগ হলে আমরা সবাই চিকিৎসা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু মনের রোগের দিকে আমরা তেমন একটা গুরুত্ব দেই না। বা মনের সমস্যার দিকে আমরা খুব কমই তাকাই। মন হচ্ছে পৃথিবীতে সবচেয়ে অবহেলিত একটা জিনিস। কিন্তু এই মন মোটেও অবহেলার পাত্র নয়। অবহেলার জিনিস নয়। সুস্থভাবে বাঁচতে গেলে। সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করতে গেলে, সুস্থ সুন্দর মনের প্রয়োজন। এবং সুস্থ সুন্দর মন তৈরি করতে গেলে এবং এই সুস্থ সুন্দর মন তৈরি করতে গেলে। মনের যখন কোন সমস্যা হয় মনের যখন অসুখ হয়। তখন তার চিকিৎসা প্রয়োজন।
![]() |
| হতাশা বা মানসিক চাপ কমাতে মনের যত্ন নিবেন কিভাবে? |
মানসিক রোগগুলোকে মূলত দুই ভাগে বিভক্ত
- গুরুতর মানসিক ব্যাধি।
- লঘু মানসিক ব্যাধি।
গুরুতর মানসিক ব্যাধি সম্বন্ধে আমাদের অনেকের ধারণা আছে। কিন্তু লঘু মানসিক ব্যাধির দিকে আমরা তেমন একটা নজর দেই না। যেমন বিষন্নতা উদ্যোগ উৎকণ্ঠা মানসিক চাপ এগুলো সবই হচ্ছে লঘু মানসিক ব্যাধি। এবং সব ধরনের মানসিক ব্যধির চিকিৎসা রয়েছে। এবং চিকিৎসার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রোপার ওয়েতে চিকিৎসা করতে হবে। তাহলে আপনি সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন করতে পারবেন।
এখন আমাদের মন নিয়ে যদি কথা বলি। অনেকের ধারণা মন কোথায় থাকে? অনেকের সঠিক ধারণা নেই। মন কোথায় থাকে? মন থাকে মাথায় মস্তিষ্কে যদিও মস্তিষ্ক টা মন নয়। কিন্তু মস্তিষ্কের নানা রকম কার্যক্রমের প্রকাশই হচ্ছে মন। মনের যখন অসুখ হবে তখন তার চিকিৎসার প্রয়োজন হবে।
মনের চিকিৎসা গুলো দুই ভাবে করে থাকে।
- সাইকো থেরাপি বা মেডিসিনের মাধ্যমে।
- সাইকোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট বা কথা বলার মাধ্যমে।
এবং যখনই আপনাদের কোন মনের সমস্যা বা গুরতর মানসিক ব্যাধির সম্মুখীন হবেন তখন অবশ্যই সাইকেট্রিটের সাহায্য নেবেন। এবং এই সাইকেট্রিটের পরামর্শের মাধ্যমে আপনি একটি সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন করতে পারবেন। এখন যেটা হয় যদি আমরা শরীরের রোগ গুলোকে গুরুত্ব দেই মনের রোগ গুলোকে গুরুত্ব দেই না। ফলে মনের রোগের ক্ষেত্রে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার গুরুত্ব কম থাকে।
মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের লজ্জা কাজ করে। ভাবি মানসিক রোগের কাছে যাব লোকে এবার আমাকে পাগল বলবে না তো। মানসিক রোগী মানে পাগল নয়। অনেক ধরনের মানসিক রোগ আছে। পাগল বলতে যা বুঝায় গুরুতর মানসিক ব্যাধি। কিন্তু লঘু মানসিক ব্যাধিতে যারা আক্রান্ত হয় তারা মোটেও পাগলের পর্যায়ে পড়ে না। আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় লঘু মানসিক ব্যাধিতে। আমাদের দেশে ১৬.০১ পার্সেন্ট লোক কোন না কোন মানসিক রোগে ভুগছে। তাদের চিকিৎসা প্রয়োজন ১৬.০১ শতাংশ লোকের ১% লোক গুরুতর মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত। বাকি সবাই লঘু মানসিক ব্যধিতে আক্রান্ত। অর্থাৎ হতাশা বিষন্নতা উদ্বেগ চাপ ইত্যাদি।

0 মন্তব্যসমূহ