মহাকাশ প্রযুক্তির
![]() |
| বিশ্ব প্রযুক্তি |
এতদিন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে শুধু রাশিয়ান স্পেস ক্রাষ্ট চললেও এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মহাকাশযান দিয়ে নভোচারীদের আনা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী আমাজন মালিক জেজেসের পরিকল্পনা তার কোম্পানি ব্লু অরিজিন এর মাধ্যমে এ বছরই যাত্রীদের মহাকাশে ঘুরিয়ে আনা। অ্যালেন মাস্কের স্পেস এক্স এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কার্গো পরিবহন করছে আর এটি অনেকগুলো কোম্পানির একটি যারা মহাকাশ পর্যটন অর্থাৎ মহাকাশে নভোচারীর বাইরে সৌখিন মানুষদের পাঠানো নিয়ে কাজ করছে। বিলিয়নিয়ার ইউসাকো মাই যাওয়ার মত অন্তত হাজার খানেক লোক এরই মধ্যে মহাকাশ ও চাঁদে ভ্রমণের জন্য চুক্তি ও বিনিয়োগ করেছেন।
নেটওয়ার্ক
২০১৯ সালে ২২ টি দেশে প্রায় 40 টি নেটওয়ার্ক ফাইভ জি সেবা দিতে শুরু করেছে এ বছর এই উচ্চগতির মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সেবা আরো বেশি বিস্তৃত হবে ধারণা করা হচ্ছে 2020 সালের শেষে আরো প্রায় পঞ্চাশটি দেশে অন্তত ১২৫টি নেটওয়ার্ক এই সেবা দিতে শুরু করবে তবে এতে খরচ বাড়বে না কমবে তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা আছে অনেক।
স্মার্ট ফোন
স্মার্ট ফোন ভক্তদের জন্য একটা এক্সাইটিং বছর ২০১৯ সালে ভাজ করা স্মার্টফোন এনে চমক দিয়েছে স্যামসাং পরে মটোরোলাও সেই পথে হেঁটেছে তবে নতুন বছরে এই তালিকায় বড় চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছে টিসিএল। ফ্লেক্সিবল ডিসপ্লের জন্য প্রায় সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগ করেছে চীনের অন্যতম বড় এই কোম্পানি।
কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এ কি এবছর আরো বড় কিছু অপেক্ষা করছে গত অক্টোবরে গুগল জানিয়েছে তাদের কোয়ান্টাম কম্পিউটার একটা কাজ মাত্র ২০০ সেকেন্ডে করে দিয়েছে। যা পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের করতেও 10000 বছর লাগতো। গুগলের দাবি নিয়ে খানিকটা বিতর্ক তৈরি হলেও এ বছরই তারা তাদের কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। আইডিএম রিজিট্রি আই এম কিউ তারাও হাঁটছে একই পথে আর এই প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন হলে কেমিস্ট্রি ফার্মাসিটিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রীতিমতো বিপ্লব ঘটে যাবে।
গ্রেটাখানবার্গের প্রভাব নিশ্চিতভাবেও থাকতে যাচ্ছেন ২০২০ সালেও। পরিবেশবাদীদের আন্দোলন ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে টেস্ট কোম্পানিগুলোর। বিশেষ করে মোবাইল ফোন নির্মাতা যারা হিসেব বলছে ২০১৯ সালে এক বিলিয়নের উপর ফোন অবিকৃত থেকেছে আর প্রায় 18 বিলিয়ন বাতিল হয়ে গেছে। নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ তাই পরিবেশবান্ধব মোবাইল তৈরি যেগুলো সহজে ঠিক করা যায়। একই চ্যালেঞ্জ টিভি ওয়াশিং মেশিন ও বাথরুম ক্লিনার নির্মাতাদেরও। এবছর তাই ঋনু এবং এনার্জির ব্যবহার আরো বেশি দেখা যাবে।



0 মন্তব্যসমূহ