শূন্য থেকে সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নেবেন?

জকের আলোচনায় কোন বই পুস্তকের নাম নেব না বা কোন কোন টপিক পড়তে হবে সেটা বলবো না একজন চাকরি প্রার্থী একেবারে শূন্য থেকে সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গেলে কি কি করণীয় সে বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করব।

আপনাকে একটু স্মরণ করিয়ে দেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও সেখানে দেখা যাচ্ছে একজন চাকরি প্রার্থী তার সারা জীবনের অর্জিত সার্টিফিকেট লাইভে এসে ছিড়ে ফেলছেন। মূলত হতাশা থেকে তিনি এই কাজটি করেছেন। সরকারি চাকরির বয়স শেষ এবং তিনি কোন রকমের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করতে পারেননি বিধায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আপনাদের উদ্দেশ্যে এই ভিডিও তৈরির কারণটি এটি যে আপনিও যদি শেষ সময়ে এসে হতাশ হয়ে পড়েন সেটা যেন না পড়তে হয় সেই কারণেই আজকের আলোচনা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।তো চলুন শুরু করি ।

শূন্য থেকে সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নেবেন
চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

শূন্য থেকে সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নেবেন?


কোন চাকরির যোগ্য সেটা খুঁজে বের করুন


আপনি যদি অনার্স বা মাস্টার্স পাশ করে থাকেন বা অনার্সে পড়ুও শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন  তাহলে আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন যে কোন ধরনের চাকরি করতে চান? আমি জানি বাংলাদেশের 100 জন শিক্ষার্থী যারা অনার্সে পড়ছেন সেটা বিভিন্ন রকমের ইউনিভার্সিটি হতে পারে পাবলিক ইউনিভার্সিটি অথবা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যদি প্রশ্ন করা হয় কোন চাকরি করতে চান? উত্তর হবে একজন বিসিএস ক্যাডার হতে চাই।

অর্থাৎ আমাদের এই যে ৩০ লক্ষের মতো অনার্স বা মাস্টার্স পাশ করার পর যে ছাত্র হতে থাকছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির ৩০ লক্ষ বলুন বা ১৫ লক্ষ বলুন আমার মনে হয় ৩০ এর কম হবে না সকলেই বিসিএস ক্যাডার হতে চান। কিন্তু প্রত্যেক বছর যে সার্কুলার আসছে সেখানে মাত্র দুই হাজার জনকে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। আর এখন যেরকম প্রতিযোগিতা বেড়েছে তাতে করে শুধু হতে চাই ,কোন কাজ করতে চাই না বা বেসিক আমার দুর্বল আমি কোনভাবে ঠিক করতে পারিনি, সেটা নিয়ে BCS ক্যাডার হতে চাওয়াটা বোকামি।

(সরকারি চাকরির প্রস্তুতি)

আমার মনে হয় যে এই যে আমাদের মাথার মধ্যে যে ডোপামিন নিঃসরণ হচ্ছে যে আমাকে বিসিএস ক্যাডার হতেই হবে কিন্তু কোন রকমে পড়াশোনা হচ্ছে না এই কারণে আমরা হতাশ হয়ে পড়ছি আত্মহত্যা করছি ব্যবসা-বাণিজ্য বা বেসরকারি চাকরি যে করা যায় এবং এটা দিয়ে অতি সুন্দর একটা লাইফ লিড করা যায় এটা ভুলে গেছি এবং এটার কারনে আমাদের হতাশা। সুতরাং আপনাকে আগে খুজে বের করতে হবে আপনি কোন চাকরির যোগ্য?

আপনি বিসিএস ক্যাডার হতে পারবেন যদি না পারেন তাহলে বাদ দেন অসম্ভব  স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। আপনি যদি মনে করেন যে আমি প্রাইমারি জন্য প্রস্তুতি নিলেই ভালো করতে পারব তাহলে অবশ্যই প্রাইমারি প্রস্তুতি নিন। অনেক আপনাকে বলবে যে বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করুন তাহলে সব হয়ে যাবে কোনদিনই না কারণ বিসিএসের জন্য সিলেবাস বেশি তারপর রিটেন পরীক্ষার প্রস্তুতি একটা বিষয় থাকে আগে থেকে নিয়ে নিন অনেকে ।যদি মনে হয় যে আপনার মেধা বিসিএস ক্যাডার হওয়ার যোগ্য না তাহলে প্লিজ আপনি একটু নিচের দিকে তাকান।

আপনি প্রাইমারি অথবা শিক্ষক নিবন্ধন নিয়ে ভাবুন ‌‌। এখন কিন্তু বাসায় থেকে গ্রামে থেকে এলাকায় থেকে চাকরি করার ভালো মজা আছে। মোটামুটি মেধাবীদের জন্য আর কি। এছাড়া অনেক রকমের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর  চাকরি থাকে সেগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিন । আর যদি মনে করেন যে  আপনি পারবেন যোগ্য তাহলে শুরু করে দিন সুতরাং আপনাকে আগে বের করতে হবে আপনি কোন চাকরির যোগ্য?

সেটা খুঁজে বের করে সেই বিষয়ে প্রস্তুতি নিন আপনি যদি মনে করেন যে আমি সব বিষয়ে চাকরি পরীক্ষা দেব বিষয় না সমস্যা না। কিন্তু দেখা যাবে ব্যাংকের প্রশ্নের ধরনা একরকম বিসিএস প্রশ্ন ধরনের একরকম। বা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে গেলে psc প্রশ্ন এরকম  ওদিকে ব্যাংকের প্রশ্নের ধরণ আরেকরকম। দুই প্রস্তুতি একবারে নেওয়াটা বোকামি অনেকে নিয়ে থাকেন সেটা আলাদা কথা অনেক বেশি মেধাবী। সুতরাং আপনি কোন সেক্টরে চাকরি করবেন এটা আগে ঠিক করুন।


সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে 


এরপরে বিষয় হচ্ছে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে একদিনে বা এক মাসে বা এক বছরে এক্সপার্ট হবেন না। আপনি দেখবেন কোন বিষয়গুলো আপনার জন্য কঠিন। আমরা জানি চাকরির ক্ষেত্রে বাংলা ইংরেজি গণিত তারপর সাধারণ জ্ঞান এগুলোই ঘুরেফিরে যে কোন চাকরির পরীক্ষায় আসে বা সিলেবাস এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। 

তাহলে এগুলো কিন্তু একদিনে রপ্ত করতে পারবেন না । আপনি চাকরি পরীক্ষায়  অংশগ্রহণ করলেন দেখলেন যে আপনি পারছেন না। আরে ভাই আপনি প্রস্তুতি নিন আগে তারপর। পরীক্ষায় না পড়ে কোনদিন ভালো কিছু করতে পারবেন না। 

একজন কৃষক ৩০০ টাকার জন্য রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সারাদিন কষ্ট করছে। আপনাকে সরকারি চাকরির জন্য মোটেও কষ্ট করতে হবে না? সরকারি চাকরি পেলে আপনি দিনে দুই হাজার টাকা ইনকাম করবেন তাহলে এর জন্য তো একটু কষ্ট করতেই হবে। সুতরাং একটু ভেবে দেখুন এত সহজ নয় জীবনটা। আপনি পরিশ্রম করতে চাইলে একজন কৃষক যেমন জমিতে পরিশ্রম করে ৩০০ টাকার বিনিময়ে সে ঘাম ঝরিয়ে ফেলছে রোদে, ভিজে যাচ্ছে বৃষ্টিতে এইরকম হতে হবে।

এছাড়া চাকরি নেই এখন ,তো ধৈর্য ধরে লেগে থাকুন পড়াশোনা শুরু করুন। এক একটা সাবজেক্ট ধরুন সেটা একটু এগিয়ে যান আরেকটা সাবজেক্টে ধরুন এভাবে একবার দুইবার চারবার পাঁচবার পড়ুন দেখবেন যে আপনি মোটামুটি আয়ত্ত করে নিয়েছেন। তখন এডভান্স হয়ে গেলে  কঠিন কঠিন বিষয় গুলো দেখবেন। এতে করে আপনার বেসিকটা ভালো হয়ে যাবে এবং আপনি যে কোন চাকরি পরীক্ষায় টিকে যাবেন।দেখবেন যে যারা  দশটা পনেরোটায় টেকে কিভাবে টেকে এভাবেই। নিজেকে এক্সপার্ট করে নেয় দীর্ঘমেয়াদি প্রসেসের মধ্য দিয়ে তারপর তারা টিকে যায়। 

চাকরির প্রস্তুতি নিতে প্রশ্ন এনালাইসিস করুন


এরপর প্রশ্ন এনালাইসিস করে কি কি পড়বেন বা কি কি বাদ দেবেন তা আগেই ঠিক করতে হবে। দুনিয়ার সমস্ত কিছু পড়তে গেলে আপনি পারবেন না । আর আমাদের ক্ষেত্রে নতুন যারা চাকরির প্রস্তুতি নেই , আমার ক্ষেত্রে এটা হয়েছে আমি দেখি আমার মনে হয় যে গোটা দুনিয়াটা পড়তে হবে আমি কি পড়বো? এই যে একটা হতাশায় নিমজ্জিত হই। 

কখনো এটি ভাববেন না।  একটি চাকরির বই যেটা আপনার কাছে আছে সেটা নিয়ে পড়া শুরু করে দিন ওখানে কি গুরুত্বপূর্ণ টপিক আপনি জানেন যেমন  সাধারণ জ্ঞান পড়তে গেলে মুক্তিযুদ্ধের বিষয়গুলো পড়তে হবে বঙ্গবন্ধুর বিষয় পড়তে হবে। আপনাকে ইতিহাস বা আমাদের ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস পড়তে হবে কারণ এগুলো একটার সঙ্গে একটা সম্পর্কযুক্ত। গুরুত্বপূর্ণ কোনটা আপনি বুঝতেই পেরেছেন এই বিষয়গুলোকে আপনি জানার চেষ্টা করুন। 

অনেকের সাম্প্রতিক বিষয়গুলো নিয়ে খুব বেশি হতাশ হয়ে পড়েন সাম্প্রতিক থেকে খুব বেশি প্রশ্ন আসে না একটা দুইটা তিনটা এর জন্য এত হতাশ হওয়ার কিছু নেই। চাকরির প্রস্তুতি নিতে আপনি একটু করে পত্রিকা পড়বেন পত্রিকা পড়লে বুঝতে পারবেন যে কোথায় কোন তথ্যটা দেওয়া হচ্ছে। আপনি জাতীয় দৈনিক পড়লেন দুই একটি  তাতে করে কিন্তু আপনার প্রস্তুতিটা আরো বেশি ভালো হবে। 

(সরকারি চাকরির প্রস্তুতি)

সুতরাং প্রশ্নের এনালাইসিস করার আগে।কোন চাকরির পরীক্ষায় আপনি অংশগ্রহণ করছেন? আপনি কি প্রাইমারি পরীক্ষা দিয়েছেন নাকি আপনি  নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়েছেন নাকি বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন?

যেরকম প্রশ্ন আসে যেরকম সিলেবাস সেটা এনালাইসিস করবেন। এটা থেকে প্রশ্ন এসেছে এর আগে এরকম ১০ টা টপিক যদি আপনি খুঁজে পান এই দশটা টপিকে আপনি ভালোভাবে পড়াশোনা করুন ৮ টা টপিকে প্রশ্ন আসতেও পারে অথবা পাঁচটা টপিকে প্রশ্ন আসতে পারে। পাঁচটা দশটা বই একদম মুখস্ত করে ফেললেই আপনাকে হবে না। আপনাকে বুঝেশুনে এনালাইসিস করে পড়তে হবে ।

সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে রুটিন তৈরি করুন


রুটিন তৈরি করে নিন। রুটিন ছাড়া আগানো মুশকিল হয়।  আমি যখন অনার্স পাশ করি আমার চাকরি হয়ে গেছে আমার সার্টিফিকেট দিয়ে ।আমি  যখন রাজশাহী ইউনিভার্সিটি হলে থাকতাম । তখন সবাই দেখতো আমি দুই তিনটা করে রুটিন লাগাতাম। তার পরেও আমি দেখেছি রুটিনের আমি ফিফটি পার্সেন্ট কোনদিন পড়তে পারিনি। হয়ে হয়ে 30 পারসেন্ট ৩৫% ৪০% কিন্তু একটা বিষয় আবিষ্কার করেছি যে রুটিন থাকলে আপনি যদি টুয়েন্টি পার্সেন্ট পড়েন সেটাও অনেক কিছু। 

রুটিন ছাড়া পড়বেন এলোমেলো হয়ে যাবে সবকিছু। রুটিন করে ভাগ করে নিন সারা দিনে আপনি কত ঘন্টা পড়বেন কোন বিষয়ে পড়বেন তাহলে এগোতে পারবেন। কতটুকু ঘুমাবেন কখন খাবেন কখন কোন কাজটা করবেন সব কিছু রুটিনে যোগ করে নিন শৃঙ্খলা থাকবে আপনার পড়াশুনা এবং জীবন দুটোতেই। শুধু পড়াশোনা করে বিসিএস হবে না সুতরাং রুটিন করে নিন। গুগলে সার্চ দিলে অনেক রকম রুটিন পাবেন সেখান থেকে দেখে ঠিক করে নিন নিজের মতো করে যেটা ভালো লাগে।

চাকরির প্রস্তুতির জন্য টার্গেট করুন 


এবার প্রতি সপ্তাহে বা মাসে কোন বই শেষ করবেন তা টার্গেট করুন । আমার ব্যাপারে দেখা যেত আমি যখন বাংলা পড়তাম তখন বাংলাই পড়তাম যখন ইংরেজি পড়তাম তখন ইংরেজি পড়তাম যখন সাধারণ জ্ঞান পরতাম তখন সাধারণ জ্ঞান পড়তাম। এভাবে আপনাকে টার্গেট করতে হবে আপনি সপ্তাহে বা মাসে কোন বইটি শেষ করবেন। সেটা বাংলা হতে পারে সাধারণ জ্ঞান হতে পারে ইংরেজি হতে পারে সাধারণ বিজ্ঞান হতে পারে যে কোন বিষয় একটা টার্গেট নিন। এভাবে একটা বই শেষ করা মানে আপনার কনফিডেন্স লেভেল অনেক বেড়ে যাবে এবং আপনি  পারবেন ।

চাকরির প্রস্তুতি নিতে প্রতিদিন গণিত প্র্যাকটিস করুন


প্রতিদিন গনিত প্র্যাকটিস করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ গণিত আপনি একমাস করবেন না ভুলে যাবেন সাধারণ জ্ঞান কিন্তু মনে থাকে কিন্তু গণিত প্র্যাকটিস না থাকলে মনে থাকে না। সুতরাং প্রত্যেকদিন আপনি অল্প হলেও গণিত প্র্যাকটিস করুন। ধারাবাহিকভাবে সিলেবাস ধরে ধরে প্রতিদিন প্র্যাকটিস করুন।

চাকরির প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিন ইংরেজি পড়ুন


ইংরেজির  ক্ষেত্রে প্রত্যেকদিন ইংরেজি পড়তে হবে। প্রত্যেকদিন ভোকাবুলারি আয়ত্ত করার চেষ্টা করবেন। পাঁচটা করবেন দশটা করবেন এভাবে অল্প অল্প করে প্রতিদিন ভোকাবুলারি আয়ত্ত করুন। দশটা শব্দ যদি আপনি শিখেন সেগুলো আপনার জীবনে কোথায় কোথায় কাজে লাগে প্রয়োগ করার চেষ্টা করুন। ইংরেজিতে কথা বলার ক্ষেত্রে vocabulary অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ইংরেজি পত্রিকা পড়তে পারেন ইংরেজি পুরো পত্রিকা পড়া আসলে মুশকিল তাই একটা দুইটা প্যারা নিতে পারেন দ্য গার্ডিয়ান ডেইলি স্টার এ সমস্ত পত্রিকা থেকে একটা দুইটা পাতা পড়তে পারেন। একা একা অথবা বন্ধু-বান্ধবের সাথে ইংরেজিতে টুকটাক কথা বলতে চেষ্টা করুন।

চাকরির প্রস্তুতর ক্ষেত্রে ইতিবাচক হন হতাশা দূর করুন


হতাশা দূর করুন আপনি পারবেন এই মানসিকতা নিয়ে থাকুন। আর আপনি যদি না পারেন তাহলে আপনার ফিরে আসার পথ নেই এটা কিন্তু ভুল ধারণা। আমি প্রস্তুত হলে এমন কোন জিনিস নেই যেটা আমাকে আটকাতে পারে। আর আপনি ভাবছেন সরকারি চাকরি বুঝি শান্তি আর দশ তলায় থাকাটাই বেশি শান্তি কিন্তু না সরকারি চাকরির চেয়ে যদি আপনি গ্রামে থেকে ছোট একটা চাকরি করেন তাতেও শান্তি আছে । 

আপনি গ্রামের মানুষের সাথে থাকতে পারছেন মা-বাবার সামনে থেকে থাকতে পারছেন জমিজমা দেখাশোনা করতে পারবেন এটাই শান্তি। হতাশা দূর করুন। নিজের যোগ্যতা বাড়ান আপনি যে কোন জায়গায় সফল হবেন। আর একটা বিষয় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার চেষ্টা করুন। নামাজ পড়ুন আল্লাহর কাছে চান অবশ্যই আল্লাহ তালা আপনাকে একটি ভালো পথ ঠিক করে দিবেন। এতে করে প্রশান্তি পাবেন হতাশা কখনো কাজ করবে না।

বিসিএস ক্যাডার হতে সময়কে কাজে লাগান


আপনি যেখানেই থাকেন মনে করবেন প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিয়ে বাড়িতে গেলেও আপনি মনে করবেন সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছি। এভাবেই সময়কে কাজে লাগাতে হবে। ছোট একটা নোট করে নিয়ে যান যে আমি এই কাজে গিয়ে এই পড়াটা মুখস্ত করব। আমাদের ঢাকায় যারা থাকেন যে আমি কত সময় নষ্ট হয় তা আপনি সাথে নোট করে নিলে জ্যামে পড়েও আপনি প্রস্তুতি নিতে পারবেন। সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য এভাবেই সময়কে কাজে লাগান। কোন সময় কেই আপনি অপচয় করবেন না।

 (পরামর্শে:বিসিএস ক্যাডার কামরুজ্জামান সরকার)


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ